অধায়- ০১ জ্ঞানমূলক প্রশ্ন ও উত্তর

 

অধায়- ০১

জ্ঞানমূলক প্রশ্ন ও উত্তর


ICT: World & Bangladesh Perspective এই অধ্যায়ের প্রতিটি টপিক এখানে সংক্ষেপে আলোচনা করা হলো।

১= ডেটা (Data) বা উপাত্ত কী?

ডেটা একটি একক ধারনা অর্থাৎ ইনফরমেশন বা তথ্যের ক্ষুদ্রতম এককই হচ্ছে ডেটা। সুনির্দিষ্ট ফলাফল বা আউটপুট পাউয়ার জন্য প্রসেসিংয়ে ব্যবহিত কাঁচামাল সমুহকে ডেটা বা উপাত্ত বলে। কোন শব্দ, সংখ্যা, ছবি, প্রতীক ইত্যাদি যে কোনো কিছুই উপাত্ত বা ডেটা হিসেবে চিহ্নিত হতে পারে । অর্থাৎ তথ্যের ক্ষুদ্রতম একক হলো ডেটা যা আসলে এলোমেলো বা অগোছালো কয়েকটি অক্ষর, সংখ্যা, চিহ্ন, ছবি ইত্যাদি, যা সুনির্দিষ্ট বা যথাযথ অর্থ বা ভাব প্রকাশে সক্ষম নয় ।

Types of data

Note: ল্যাটিন শব্দ Datum শব্দের বহুবচন হল ডেটা (Data) যার অর্থ (Fact)।

২= তথ্য (Information) কী?

কোনো কিছু সম্পর্কে সুস্পষ্ট ধারণা বা জ্ঞান লাভ করার জন্য সে সম্পর্কিত বিভিন্ন ডেটা বা উপাত্তকে যৌক্তিক পরিসজ্জায় উপস্থাপনাকে তথ্য বা Information বলা হয় । তথ্য দ্বারা কোন ব্যক্তি বা বস্তু সম্পর্কে পুর্নাঙ্গ ধারণা পাওয়া যায়।

Note: Information শব্দটি ল্যাটিন শব্দমূল ‘informatio’ থেকে উৎপত্তি লাভ করেছে যার ক্রিয়ামূল ‘informare’, যার অর্থ – পথ দেখানো, শেখানো, কাউকে কোনো কিছু সম্পর্কে অবগত করা, কোনো কিছু আদান-প্রদান করা প্রভৃতি।

৩= তথ্য প্রযুক্তি (Information Technology) কী?

তথ্য প্রযুক্তি বলতে সাধারণত তথ্য রাখা এবং একে ব্যবহার করার প্রযুক্তিকেই বুঝানো হয়। একে ইনফরমেশন টেকনোলজিও (Information Technology – IT) নামে অভিহিত করা হয় । সহজ ভাবে বলা যায়,তথ্য সংগ্রহ, এর সত্যতা ও বৈধতা যাচাই, সংরক্ষণ, প্রক্রিয়াকরণ, আধুনিকরন, পরিবহন, বিতরন ও ব্যবস্থাপনার সাথে সংশ্লিষ্ট প্রযুক্তি হলো তথ্য প্রযুক্ত। এককথায় তথ্য ব্যবস্থার সাথে সম্পর্কযুক্ত প্রযুক্তিকে তথ্য প্রযুক্তি বলা হয়।

Note: ক্লাউডি এলউড শ্যানন (Claude Elwood Shannon)১৯১৬ সালের ৩০ এপ্রিল আমেরিকার মিশিগান রাজ্যে জন্ম নেয়া এই আমেরিকান গণিতবিদকে তথ্য প্রযুক্তির জনক হিসেবে অভিহিত করা হয় । ১৯৩৭ সালে MIT এর ছাত্র থাকাকালে মাত্র ২৭ বছর বয়সে তিনি ডিজিটাল সার্কিট ডিজাইন থিয়েরি আবিষ্কার করেন । ১৯৪৮ সালে “A Mathematical Theory of Information” নামে তার যে পেপারটি প্রকাশিত হয়, এর কারণেই তাকে তথ্য প্রযুক্তির জনক বলা হয় ।

৪= যোগাযোগ প্রযুক্তি (Communication Technology) কী?

যোগাযোগ প্রযুক্তি বা কমিউনিকেশন সিস্টেম হলো কম্পিউটার বা কোনো ইলেক্ট্রনিক ডিভাইসের মাধ্যমে তথ্য আদান-প্রদান ব্যবস্থার সংশ্লিষ্ট প্রযুক্তি । একস্থান থেকে অন্য স্থানে নির্ভরযোগ্য ভাবে তথ্য আদান প্রদানে ব্যবহৃত প্রযুক্তিই হচ্ছে যোগাযোগ প্রযুক্তি। অন্যভাবে বলা যায়, ডেটা কমিউনিকেশন ব্যবস্থার সাথে সংশ্লিষ্ট প্রযুক্তিকে যোগাযোগ প্রযুক্তি বলে। যেমনঃ টেলিফোন, মোবাইল ফোন, ইন্টারনেট ইত্যাদি।

Note: গ্রিক শব্দ Techne (যার অর্থ হলো আর্ট) বা শিল্প, কারু কিংবা হাতের দক্ষতা এবং logia (শব্দ) এ দুয়ের সমন্বয়ে টেকনোলোজি শব্দটি গঠিত । প্রযুক্তি বলতে সাধারণভাবে কতিপয় কৌশল ও প্রক্রিয়ার সমন্বিত জ্ঞানকে বুঝায় । 

৫= তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (ICT) কী?

তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বা আইসিটি (Information and Communications Technology) সাধারণভাবে তথ্য প্রযুক্তির সমার্থক শব্দ হিসেবে ব্যবহৃত হয়। প্রকৃতপক্ষে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি এক ধরনের একীভূত যোগাযোগ ব্যবস্থা। যেকোন প্রকারের তথ্যের উৎপত্তি,তথ্য দ্রুত আহরণ, প্রয়োজন অনুযায়ী সংরক্ষণ, আধুনিকীকরণ, প্রক্রিয়াকরণ এবং সঞ্চালনে ব্যবহৃত সকল ইলেক্ট্রনিক্স প্রযুক্তিকে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বা ইনফরমেশন এন্ড কমিউনিকেশন টেকনোলজী বলে। তথ্য প্রযুক্তির সঙ্গে যোগাযোগ ব্যবস্থার নিবিড় সম্পর্ক রয়েছে । একটি ছাড়া আরেকটি কল্পনা করা যায় না। তাই তথ্য প্রযুক্তিকে বর্তমানে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বা আইসিটি(ICT) বলা হয়।

৬= গ্লোবাল ভিলেজ (Global Village) বা বিশ্বগ্রাম কী?

“গ্লোবাল ভিলেজ বা বিশ্বগ্রাম হচ্ছে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি নির্ভর এমন একটি সামাজিক বা সাংস্কৃতিক ব্যবস্থা, যেখানে পৃথিবীর সকল প্রান্তের মানুষ দুরবর্তী স্থানে অবস্থান করেও একটি একক সমাজে বসবাস করার সুবিধা পায় এবং  তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি ব্যবহারের মাধ্যমে একে অপরের সাথে যোগাযোগ ও সেবা প্রদান করে থাকে।“ গ্লোবাল ভিলেজ হচ্ছে এমন একটি ধারনা যেখানে গোটা পৃথিবীকে একটি গ্রাম হিসেবে মনে করা হয়। অর্থাৎ তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি নির্ভর বিশ্বকেই গ্লোবাল ভিলেজ বা বিশ্বগ্রাম বলা হয়।

 

Note: ক্যানাডিয়ান দার্শনিক হারবার্ট মার্শাল ম্যাকলুহান (Herbert Marchall Mcluhan) কে বিশ্বগ্রামের জনক বলা হয়। ১৯৬২ সালে তার ‘The Gutenberg Galaxy’ ও ১৯৬৪ সালে Understanding Media নামক দুটি বইয়ে তিনি সর্বপ্রথম গ্লোবাল ভিলেজ বা বিশ্বগ্রাম কথাটি উল্লেখ করেন।

৭= টেলিকনফারেন্সিং (Teleconferencing) কী?

কম্পিউটার, বা টেলিকমিউনিকেশন যন্ত্রপাতি যেমন টেলিফোন, মোবাইল ফোন ইত্যাদি ব্যবহার করে দেশ-বিদেশের বিভিন্ন স্থান থেকে কোনো সভা বা সেমিনারে অংশগ্রহণ করার পদ্ধতিকে টেলিকনফারেন্সিং বলা হয় । এ পদ্ধতিতে একই স্থানে না এসে ভিন্ন ভিন্ন একদল লোক সভায় মিলিত হয়ে নিজেদের মতামত ও রিপোর্ট পেশ করতে এবং সিদ্ধান্ত নিতে পারে ।

Note: মরি টারফ ১৯৭৫ সালে এ পদ্ধতির উদ্ভাবন করেন। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে মুদ্রাস্ফীতি নিয়ন্ত্রণের জন্য প্রেসিডেন্ট নিক্সনের আমলে প্রশাসকদের মধ্যে টেলিকনফারেন্স ব্যবস্থা প্রবর্তিত হয়।

৮= ভিডিও কনফারেন্সিং (Videoconferencing) কী?

ভিডিও কনফারেন্সিং হলো ইন্টারনেট নির্ভর একটি অত্যাধুনিক টেলিযোগাযোগ ব্যবস্থা। ভিন্ন ভৌগোলিক দূরুতে অবস্থান করে টেলিকমিউনিকেশন প্রযুক্তির সাহায্যে দুই বা ততোধিক ব্যাক্তিবর্গের সাথে উভমুখী ভিডিও এবং অডিও শেয়ারিং পদ্ধতিতে যোগাযোগ বা সভা কার্যক্রম পরিচালনা করার কৌশল হলো ভিডিও কনফারেন্সিং।স্কাইপী, ফেসবুক মেসেঞ্জার, imo, WhatsApp, viber, ইত্যাদির মাধ্যমে খুব সহজেই ভিডিও কনফারেন্সিং করা যায়।

৯= ই-মেইল(Email) কী?

ই-মেইল এর পূর্ণরূপ হল ইলেকট্রনিক মেইল। এটি হলো ডিজিটাল বার্তা আদান প্রদানের একটি মাধ্যম। ইন্টারনেটের মাধ্যমে বিভিন্ন ডিজিটাল ডিভাইস (কম্পিউটার, মোবাইল প্রভৃতি) এর মধ্যে ডিজিটাল তথ্য আদান-প্রদান ব্যবস্থাকে ই-মেইল বলে । ই-মেইলে সাধারনত ২ টি অংশ থাকে –প্রথম অংশে ব্যবহারকারীর পরিচিতি(User Identity) এবং @ এর পরের অংশ ডোমেইন(Domain Name) নেম।


Note: ই-মেইল এর জনক “রে টমলি সন”। ১৯৭১ সালে ‘qwertyuiop’ এই টেক্সটটি ‘টমলি সন‘ পরিক্ষামূলক ভাবে নিজের কাছেই প্রথম ইমেইল প্রেরণ করে। এছাড়া তিনিই ইমেইলের মাঝখানে ‘@’ এর প্রথম ব্যবহার করে। Internet এ Email পাঠানোর প্রটোকলের নাম হলো SMTP।

১০= টেলিমেডিসিন (Telemedicine) কী?

টেলিমেডিসিন এক ধরনের চিকিৎসা সেবা যা টেলিফোন বা মোবাইলের মাধ্যমে দূর থেকে রোগীরা বিশেষজ্ঞ ডাক্তারের নিকট হতে অতিদ্রুত চিকিৎসা সেবা গ্রহণ করতে পারে। বর্তমানে ঘরে বসেই টেলিকনফারেন্স বা ভিডিও কনফারেন্স বা অনলাইনের মাধ্যমে দেশি-বিদেশি বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের পরামর্শ গ্রহণ করা যায়, একে টেলিমেডিসিন বলে।

অর্থাৎ তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তির সাহায্যে কোন ভৌগলিক দূরত্বে অবস্থানরত বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক, রোগ নির্ণয় কেন্দ্র, বিশেষায়িত নেটওয়ার্ক ইত্যাদির সমন্বয়ে স্বাস্থ্যসেবা দেওয়াকে টেলিমেডিসিন বলা হয়।

১১= স্মার্ট হোম (SMART HOME) / হোম অটোমেশন (Home Automation) কী?

স্মার্ট হোম এমন একটি বাসস্থান যেখানে রিমোট কন্ট্রোল এবং প্রোগ্রামিং ডিভাইসের মাধ্যমে এর হিটিং, কুলিং, লাইটিং এবং সিকিউরিটি কন্ট্রোল সিস্টেম ইত্যাদি স্বয়ংক্রিয়ভাবে নিয়ন্ত্রণ করা হয়।

তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তির প্রয়োগের মাধ্যমে অফিসের ডকুমেন্ট তৈরি ও সংরক্ষন, কর্মকর্তা ও কর্মচারিদের মধ্যে অভ্যন্তরীন ও বহিঃযোগাযোগ ইত্যাদি বিষয়ে সিদ্ধান্ত গ্রহণ তথা বাস্তবায়ন কার্যক্রম দক্ষতার সাথে ডিজিটাল পদ্ধতিতে সম্পন্ন করা যায়। এই ধরণের প্রযুক্তি নির্ভর কার্যক্রমকে বলা হয় অফিস অটোমেশন।

১২= দূরশিক্ষণ বা ডিসটেন্স লার্নিং (Distance Learning) কী?

দূরশিক্ষণ এমন একটি পদ্ধতি যার মাধ্যমে যে কোনো সময়ে এবং বয়সের শিক্ষার্থী ঘরে বসে অথবা কর্মস্থলে বসে শিক্ষার সুযোগ লাভ করে থাকে। একজন শিক্ষক ঘরে বসেই বিভিন্ন বিষয়ের উপর ভিডিও টিউটোরিয়াল তৈরির পর অনলাইনে বিভিন্ন সামাজিক মিডিয়ার সাহায্যে শেয়ার করে, ওয়েবসাইটের মাধ্যমে, লাইভ ক্লাস ইত্যাদি মাধ্যমে শিক্ষা দান করতে পারে এবং শিক্ষার্থীরাও ঘরে বসেই শিক্ষা গ্রহন করতে পারে। একজন শিক্ষার্থী ঘরে বসে অনলাইনেই পরীক্ষা দিয়ে নিজেকে যাচাই করতে পারে। এমনকি ঘরে বসেই ফলাফল জানতে পারে। এই ধারণাকে বলা হয় দূরশিক্ষণ বা ডিসটেন্স লার্নিং।

ই-লার্নিং এক ধরনের দূরশিক্ষণ (ডিসটেন্স লার্নিং) পদ্ধতি। শিক্ষার্থীকে সরাসরি ক্লাস কিংবা পরীক্ষায় অংশ না নিয়ে তার সুবিধাজনক সময়ে অনলাইনে যুক্ত হয়ে তথ্যপ্রযুক্তি বিশেষ করে কম্পিউটার, মোবাইল, ভিডিও, টেলিভিশন, ভিডিও কনফারেন্সিং, ওয়েবসাইট, ই-মেইল, সফটওয়্যার ইত্যাদির মাধ্যমে শিক্ষক ও শিক্ষার্থী একে অপর থেকে দূরে থেকেও যে শিক্ষাব্যবস্থা চালিয়ে নিতে পারে, তাই ই-লার্নিং।


১৩= ইবুক (E-Book) কী?

ইবুক বা ইলেকট্রনিক বুক বলতে ডিজিটাল ফর্মে টেক্সট, চিত্র ইত্যাদি ডকুমেন্ট বইকে বুঝায়। ইলেক্ট্রনিক বুক (যাকে ই-বুক, ইবুক, ডিজিটাল বুক বা ই-সংস্করণও বলা হয়) হলো একটি বই যার প্রকাশনা করা হয়েছে ডিজিটাল আকারে, যাতে সাধারণ বইয়ের মতই লেখা, ছবি, চিত্রলেখ ইত্যাদি রাখা হয়েছে এবং এগুলো কম্পিউটার বা অন্যান্য ইলেক্ট্রনিক যন্ত্রে পড়া যায়।

Note: ই বুকের জনক – মাইকেল এস হার্ট। ১৯৭১ সালে তিনি এই উন্মুক্ত ডিজিটাল গ্রন্থাগারের প্রকল্পটি শুরু করেন।

১৪= ই-কমার্স (E-Commerce) কী?

ইন্টারনেট ব্যবহার করে যে ব্যবসা বাণিজ্য সংঘটিত হয় তাকে ই-কমার্স (E-Commerce) বলে। ই-কমার্স (e-commerce) একটি আধুনিক ব্যবসা পদ্ধতি যেখানে অনলাইনের সাহায্য ব্যবসায়িক সকল কার্যক্রম পরিচালনা করা হয়।। কিছু ই-কমার্স প্ল্যাটফর্ম এর উদাহরণ- alibaba.com, amazon.com, daraz.com.bd ইত্যাদি।

১৫= আউটসোর্সিং (Outsourcing) কী?

আউটসোর্সিং মূলত একটি ব্যবসায়িক শব্দ, যার মানে হচ্ছে, কোন কাজ কোম্পানির অভ্যন্তরীণ কর্মচারীকে দিয়ে না করিয়ে ওই কাজ বাইরের কাউকে দিয়ে করিয়া নেয়া। কোন প্রতিষ্ঠানের কাজ নিজেরা না করে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তির সাহায্যে তৃতীয় কোন ব্যাক্তি বা প্রতিষ্ঠানের সাহায্যে করিয়ে নেওয়াকে বলা হয় আউটসোর্সিং। এই ক্ষেত্রে প্রতিষ্ঠানগুলো বিভিন্ন জব শেয়ারিং ওয়েবসাইটে (যেমন- upwork.com, fiverr.com, freelancer.com, peopleperhour.com) তাদের জবগুলো পোষ্ট করে থাকে।

১৬= ফ্রিল্যান্সিং (Freelancing) কী?

ফ্রিল্যান্সিং (Freelancing) এর অর্থ হলো স্বাধীন বা মুক্তপেশা। ফ্রিল্যান্সিং (Freelancing) মূলত এমন একটি পেশা যেখানে আপনি ইন্টারনেটের মাধ্যমে বিভিন্ন ধরনের কাজ করে অর্থ উপার্জন করতে পারবেন। এটি সাধারন চাকরির মতোই, কিন্তু ভিন্নতা হলো এখানে আপনি আপনার স্বাধীন মতো কাজ করতে পারবেন। কোন প্রতিষ্ঠানের সাথে দীর্ঘস্থায়ী চুক্তি না করে, তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তির সাহায্যে স্বাধীনভাবে নিজের দক্ষতা অনুযায়ী কোন ব্যাক্তি বা প্রতিষ্ঠানের চাহিদা মোতাবেক কাজ করাকে বলা হয় ফ্রিল্যান্সিং। এই ক্ষেত্রে একজন ফ্রিল্যান্সার বিভিন্ন জব শেয়ারিং ওয়েবসাইটে (যেমন- upwork.com, fiverr.com, freelancer.com, etc) তার দক্ষতা অনুযায়ী জবের জন্য আবেদন করে থাকে।

১৭= ভার্চুয়াল রিয়েলিটি (Virtual Reality) / VR কী?

ভার্চুয়াল শব্দের অর্থ হচ্ছে কল্পনা ও রিয়েলিটি শব্দের অর্থ হচ্ছে বাস্তবতা। অর্থাৎ ভার্চুয়াল রিয়েলিটি হল কল্প বাস্তবতা। প্রকৃত অর্থে বাস্তব নয় কিন্তু বাস্তবের চেতনা উদ্রেককারী বিজ্ঞান নির্ভর কল্পনাকে ভার্চুয়াল রিয়েলিটি বা অনুভবে বাস্তবতা কিংবা কল্পবাস্তবতা বলে। ভার্চুয়াল রিয়েলিটি হলো কম্পিউটার নিয়ন্ত্রিত এমন এক ধরনের কৃত্রিম পরিবেশ যেখানে ব্যবহারকারি বাস্তবের ন্যায় স্পর্শানুভুতি, দর্শণানুভূতি, শ্রবণানুভূতি পেয়ে থাকে। ভার্চুয়াল রিয়েলিটি (VR) মূলত কম্পিউটার প্রযুক্তি ও সিমুলেশন তত্ত্বের উপর প্রতিষ্ঠিত। ভার্চুয়াল রিয়েলিটিতে ত্রিমাত্রিক ইমেজ তৈরির মাধ্যমে অতি অসম্ভব কাজও সম্ভব করা যায়।

 

Note: Virtual reality শব্দটি সর্ব প্রথম ব্যবহার করেন ফরাসি কবি ও নাট্যকার অ্যান্টনিম আরচিউড। তার লেখা গ্রন্থ The Theatre and Double ১৮৩৮ সালে প্রকাশিত হয় , এখানে তিনি ভার্চুয়াল রিয়েলিটি শব্দ টি ব্যবহার করেন।“Morton Heiling” ১৯৫৭ সালে ভার্চুয়াল রিয়েলিটি প্রযুক্তির উদ্ভাবন করেন।

১৮= কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (Artificial Intelligence) / AI কী?

আর্টিফিসিয়াল(Artificial) অর্থ হলো কৃত্রিম এবং ইনটেলিজেন্স(Intelligence) অর্থ হলো বুদ্ধিমত্তা। অর্থাৎ আর্টিফিসিয়াল ইনটেলিজেন্স মানে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা হলো কম্পিউটার বিজ্ঞানের একটি শাখা । মানুষের বুদ্ধিমত্তা ও চিন্তা শক্তিকে কৃত্রিম উপায়ে প্রযুক্তিনির্ভর যন্ত্র বা কম্পিটারের মাধ্যমে বাস্তবায়ন করাটাই হলো কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা আর্টিফিসিয়াল ইনটেলিজেন্সি। মানুষ যেভাবে চিন্তা-ভাবনা করে সিদ্ধান্ত নেয়, কৃত্তিম উপায়ে কোন যন্ত্র যদি সেভাবে চিন্তা-ভাবনা করে সিদ্ধান্ত নিতে পারে, তখন সেই যন্ত্রের বুদ্ধিমত্তাকে কৃত্তিম বুদ্ধিমত্তা বলা হয়।

Note: কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার জনক হলেন বৃটিশ বিজ্ঞানী ও গণিতবিদ অ্যালান টুরিং(Alan Mathison Turing)। ১৯৫০ সালে তার আবিষ্কৃত “টুরিং টেস্ট” কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ধারণার ভিত্তি স্থাপন করে। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার শব্দটি ১৯৫6 সালে জন ম্যাকার্থারির দ্বারা প্রথম তৈরি করা হয়েছিল। AI এর জন্য LISP, CLISP, PROLOG ইত্যাদি প্রোগ্রামিং ভাষা ব্যবহার করা হয়।

১৯= রোবোটিক্স( Robotics) কী?

রোবটিক্স শব্দটি এসেছে রোবট(Robot) থেকে। Robot শব্দটি মূলত এসেছে স্লাভিক শব্দ Robota হতে যার অর্থ হলো ‘শ্রমিক’। প্রযুক্তির যে শাখা  রোবটের ডিজাইন, নির্মাণ এবং এর প্রয়োগ বিধি নিয়ে আলোচনা করে তাকেই রোবটিক্স বলে। রোবট হচ্ছে কম্পিউটার নিয়ন্ত্রিত এক ধরণের ইলেকট্রো-মেকানিক্যাল যন্ত্র যা স্বয়ংক্রিয়ভাবে বা কোন ব্যক্তির নির্দেশে কাজ করতে পারে। এটি তৈরী হয়েছে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার নীতিতে যা Computer program দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হয়।

Note: ১৯২০ সালে সর্বপ্রথম চেক স্লাভিয়ান নাট্যকার Kernel Capek রোবট শব্দটি ব্যবহার করেন। ১৯৫৪ সালে জর্জ ডিভোল উদ্ভাবন করেন প্রথম ডিজিটাল এবং প্রোগ্রামযোগ্য রোবট। বিশ্বের প্রথম প্রোগ্রামেবল রোবট এর নাম হলো ইউমিনেট। পৃথিবীর প্রথম রোবট হিসেবে সোফিয়া নামক রোবট যা কোন দেশের জাতীয়তা বা নাগরিকত্ব লাভ করে।

২০= এক্সপার্ট সিস্টেম(Expert System) কী?

এক্সপার্ট সিস্টেম হোলো একটি প্যাকেজ সফ্টওয়্যার যা সুসংগঠিত তথ্য ব্যবহার করে কম্পিউটারকে কোন বিষয়ে দক্ষ বা বিশেষজ্ঞ করে তুলে। অন্যভাবে বলা যায়- এক্সপার্ট সিস্টেম হলো কম্পিউটার নিয়ন্ত্রিত এমন একটি সিস্টেম যা মানুষের চিন্তা-ভাবনা করার দক্ষতা এবং সমস্যা সমাধানের সক্ষমতাকে একত্রে ধারণ করে। এটি মানব মস্তিস্কের মত পারিপার্শ্বিক পরিস্থিতি বিশ্লেষণ করে সর্বোচ্চ সাফল্য লাভের উদ্দেশ্যে সিদ্ধান্ত নিতে পারে। এই সিস্টেমে বিশাল তথ্য ভাণ্ডার দিয়ে সমৃদ্ধ থাকে, যাকে নলেজবেজ বলা হয়। ব্যবহারকারীরা এ সিস্টেম থেকে প্রশ্ন করে উত্তর জানতে পারে।

Expert System

Note: ডাক্তাররা চিকিৎসা সংক্রান্ত জটিল সমস্যার কথা ক্যাডুলাস (CADULAS) এবং মাইসিন নামক এক্সপার্ট সিস্টেম থেকে প্রশ্ন করে জেনে নিতে পারে, কমপিউটার ডিজাইনাররা R1 নামক এক্সপার্ট সিস্টেমকে প্রশ্ন করে সাহায্য নিতে পারে ।

২১= ফাজি লজিক(Fuzzy Logic)  কী?

যে যুক্তি ব্যবস্থায় কোন সমস্যার সমাধান ১ (হ্যাঁ) অথবা ০ (না) ছাড়াও আরো বিভিন্ন উপায়ে দেওয়া যায়, তাকে ফাজি লজিক বলে। বাইনারি ব্যাবস্থায় একটি সমস্যার সমাধান ‘হ্যাঁ’ অথবা ‘না’ – এই দু’টি উপায়ে দেয়া যায়। কিন্তু ফাজি লজিকে একটি সমস্যার সমাধান দুইয়ের অধিক উপায়ে দেওয়া যায়। উদাহরণস্বরূপ, যদি প্রশ্ন করা হয় ‘এখন কি রাত?’ বাইনারী ব্যবস্থায় উত্তর হবে – ‘হ্যাঁ’ অথবা ‘না’; অন্যদিকে, ফাজি লজিকে হ্যাঁ অথবা না ছাড়াও আরো উত্তর হতে পারে – মধ্যরাত, শেষরাত, সুবহে সাদিক ইত্যাদি।

Note: লতফি জাদেহকে ফাজি লজিকের জনক বলা হয়। ১৯৬৫ সাথে সর্বপ্রথম ফাজি লজিক সম্পর্কে ধারণা দেন লতফি জাদেহ।


২২= ক্রায়োপ্রোব (Cryoprob) কী?

ক্রায়োপ্রোব হচ্ছে ক্রায়োসার্জারিতে ব্যবহারিত এক ধরনের মেডিক্যাল ডিভাইস, যা চামড়ার কোন ক্ষত বা আঁচিল সারাবার জন্য ক্রায়োসার্জারি ট্রিটমেন্ট করে।

Note: গ্রিক শব্দ ক্রাউস(kruos) থেকে ক্রায়ো (Cryo) শব্দটি এসেছে যার অর্থ বরফের মতো ঠাণ্ডা এবং ‘সার্জারি’ অর্থ শৈল্য চিকিৎসা। অর্থাৎ ক্রায়োসার্জারি হলো এক ধরণের চিকিৎসা পদ্ধতি যাতে অত্যধিক শীতল তাপমাত্রা প্রয়োগ করে শরীরের অস্বাভাবিক বা রোগাক্রান্ত কোষগুলোকে ধ্বংস করা হয়।

২৩= বায়োমেট্রিক্স (Biometrics) কী?

গ্রীক শব্দ “bio” যার অর্থ Life বা প্রাণ ও “metric” যার অর্থ পরিমাপ করা। বায়োমেট্রিক্স হলো বায়োলজিক্যাল (জৈবিক) ডেটা পরিমাপ এবং বিশ্লেষণ করার প্রযুক্তি। বায়োমেট্রিক্স হলো এমন একটি প্রযুক্তি যেখানে কোনো ব্যক্তির দেহের গঠন ও আচরণগত বৈশিষ্ট্যের উপর ভিত্তি করে তাকে অদ্বিতীয়ভাবে চিহ্নিত করা যায়। কোন সিস্টেমে প্রবেশ নিয়ন্ত্রণে এবং ব্যক্তি সনাক্তকরণে বায়োমেট্রিক্স ব্যবহৃত হয়।

 

Note: সর্ব প্রথম বায়োমেট্রিক্স পদ্ধতি ব্যবহার করেন স্যার উইলিয়াম হার্সে। তিনি তার অধীনস্থ কর্মচারীদের সনাক্তকরণের জন্য চুক্তিনামার উল্টোপিঠে হাতের ছাপ নিতেন।

২৪= বায়োইনফরমেটিক্স (Bioinformatics) কী?

বায়োইনফরমেটিক্স হলো বিজ্ঞানের সেই শাখা যা বায়োলজিক্যাল ডেটা অ্যানালাইসিস করার জন্য কম্পিউটার প্রযুক্তি, ইনফরমেশন থিওরি এবং গাণিতিক জ্ঞানকে ব্যবহার করে। বায়োইনফরমেটিক্স এমন একটি কৌশল যেখানে ফলিত গণিত, তথ্যবিজ্ঞান, পরিসংখ্যান, কম্পিউটার বিজ্ঞান, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, রসায়ন এবং জৈব রসায়ন ব্যবহার করে জীববিজ্ঞানের সমস্যাসমূহ সমাধান করা হয়। মূলত জীববিজ্ঞানের আণবিক পর্যায়ে গবেষণাই এখানে অন্তর্ভুক্ত হয়। বায়োইনফরমেটিক্স এর মূল উদ্দেশ্য হচ্ছে জৈবিক পদ্ধতি সম্পর্কে সঠিক ধারণা লাভ করা।

Note: স্ট্যানফোর্ড ইউনিভার্সিটির কম্পিউটার বিজ্ঞানী ডোনাল্ড নুথ (Donald Knuth) সর্বপ্রথম Bioinformatics এর ধারণা দেন।

২৫= জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং (Genetic Engineering) or জেনেটিক মডিফিকেশনও (Genetic Modification/ manipulation) কী?

জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং হলো একটি প্রক্রিয়া যার মাধ্যমে বিজ্ঞানীরা কোন জীব থেকে একটি নির্দিষ্ট জিন বহনকারী ডিএনএ (DNA) পৃথক করে ভিন্ন একটি জীবে স্থানান্তর করে । অর্থাৎ বায়োটেকনোলজি ব্যবহার করে কোন জীবের জিনোম কে নিজের সুবিধা অনুযায়ী সাজিয়ে নেওয়ায় হচ্ছে জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং। একে জেনেটিক মডিফিকেশনও বলা হয়। জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং মূলত উন্নত বৈশিষ্ট্যধারী উদ্ভিদ ও প্রাণী সৃষ্টিতে কাজ করে।

Note: ১৯৭২ সালে Paul Berg বানরের ভাইরাস SV40 ও lambda virus-এর ডিএনএর সংযোগ ঘটিয়ে বিশ্বের প্রথম রিকম্বিনেন্ট ডিএনএ অণু তৈরি করেন। এ জন্য Paul Berg-কে জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের জনক বলা হয়।

২৬= ন্যানো টেকনোলজি (Nano Technology) কী?

পদার্থকে পারমাণবিক আণবিক পর্যায়ে পরিবর্তন ও নিয়ন্ত্রণ করার প্রযুক্তি হচ্ছে ন্যানোটেকনোলজি। পারমানবিক ও আনবিক স্কেলে অতিক্ষুদ্র ডিভাইস তৈরী করার জন্য ধাতব বস্তুকে সুনিপুণভাবে কাজে লাগানোর বিজ্ঞানকে ন্যানো টেকনোলজি বলে।

Note: ন্যানো শব্দটি গ্রিক nanos শব্দ থেকে এসেছে যার অভিধানিক অর্থ হল dwarft কিন্তু এটি মাপের একক হিসাবে ব্যবহৃত হচ্ছে। ১ মিটারের ১০০ কোটি ভাগের এক ভাগকে বলা হয় ১ ন্যানো মিটার। আর এই ন্যানোমিটার স্কেলে সম্পর্কিত সমস্ত টেকনোলজিকে ন্যানো টেকনোলজি বলে। ন্যানো টেকনোলজির জনক হচ্ছেন আমেরিকান পদার্থবিদ রিচার্ড ফাইনম্যান (Richard Feynman)

২৭= ডিজিটাল কনভারজেন্স (Digital Convergence) কী?

ডিজিটাল কনভারজেন্স হলো বিভিন্ন প্রযুক্তিকে (তথ্য প্রযুক্তি, যোগাযোগ প্রযুক্তি, কনজ্যুমার ইলেক্ট্রনিক্স,বিনোদন বা গেম ইত্যাদি ) মিলিত করে একটি মাধ্যমে একীভুত করা এবং কার্যকর ভাবে পরিচালনা করা। এক কোথায় বলতে গেলে ডিজিটাল কনভারজেন্স হচ্ছে বিভিন্ন প্রকার ডিজিটাল ডিভাইস একত্রীকরণ।

২৮= বুলেটিন বোর্ড (Bulletin Board) কী?

বুলেটিন বোর্ড হলো ইন্টারনেটে বিজ্ঞাপন প্রদানের জন্য ব্যবহৃত ইলেকট্রনিক্স ব্যবস্থা যাতে একটি শক্তিশালী কেন্দ্রীয় কম্পিউটারের সাথে অন্যান্য কম ক্ষমতাসম্পন্ন কম্পিউটার টেলিফোন লাইনের মাধ্যমে সংযুক্ত থাকে।

২৯= হ্যাকিং (Hacking) কী/হ্যাকার (Hacker) কাকে বলে?

বৈধ অনুমতি ব্যতীত কারো কম্পিউটার বা কম্পিউটার নেটওয়ার্কে বা ওয়েবসাইটে প্রবেশ করে ফাইল বা তথ্যের পরিবর্তন/ ক্ষতিসাধন করার প্রক্রিয়াই হচ্ছে হ্যাকিং (Hacking)। যেসকল ব্যাক্তি এই হ্যাকিং করে তারা হচ্ছে হ্যাকার (Hacker) ।

Note: যেসকল হ্যাকাররা ফোন হ্যাকিং করে তাদেরকে বলা হত Phreaker এবং ফোন হ্যাক করার এ প্রক্রিয়া কে বলা হয় Phreaking । এরা বিভিন্ন টেলিকমনিকেশন সিস্টেমকে হ্যাক করে নিজের প্রয়োজনে ব্যাবহার করত।


৩০= জিপিএস (GPS) কী?

জিপিএস (GPS) একটি কৃত্তিম উপগ্রহ ভিত্তিক যোগাযোগ ব্যবস্থা। জিপিএস (GPS) এর পূর্ণরূপ হচ্ছে Global Positioning System যার মাধ্যমে কোন স্থান নিখুঁতভাবে নির্ণয় করা সম্ভব। জিপিএস পৃথিবীর যেকোনো জায়গায় নিমেষেই আমাদের অবস্থান শনাক্ত করতে পারে ও সঠিক গন্তব্যে পৌঁছার দিকনির্দেশনা দিতে পারে। জিপিএস কোনো নির্দিষ্ট স্থান নির্ণয়ের সবচেয়ে কার্যকর মাধ্যম।

৩১= স্প্যামিং (Spamming) কী?

ই-মেইল অ্যাকাউন্টে প্রায়ই কিছু কিছু অনাকাঙ্খিত ও অপ্রয়োজনীয় মেইল পাওয়া যায় যা আমাদের বিরক্তি ঘটায় এ সমস্ত মেইলকে স্প্যাম মেইল বলে।

যখন কোন ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান নির্দিষ্ট কোন একটি ইমেইল অ্যাড্রেসে শতশত এমনকি লক্ষ লক্ষ মেইল প্রেরণের মাধ্যমে সার্ভারকে ব্যস্ত বা সার্ভারের পারফর্মেন্সের ক্ষতি করে বা মেমোরি দখল করে, তখন এই পদ্ধতিকে স্প্যামিং বলে।

৩২= ফিশিং (Phishing) কী?

ইন্টারনেটে ফিশিং (ইংরেজিতে Phishing) বলতে প্রতারণার মাধ্যমে কারো কাছ থেকে ব্যক্তিগত তথ্য, যেমন ব্যবহারকারী নাম ও পাসওয়ার্ড, ক্রেডিট কার্ডের তথ্য – ইত্যাদি সংগ্রহ করাকে বোঝানো হয়ে থাকে। ফিশিং (Phishing) হচ্ছে এমন একটি টেকনিক যার মাধ্যমে একজন হ্যাকার খুব সহজেই আপনার জিমেইল/ফেসবুক সহ অনন্য আইডি কিংবা পার্সোনাল ইনফরমেশন হ্যাক করতে পারে।

৩৩= স্পুফিং (Spoofing) কী?

স্পুফ (Spoof) অর্থ প্রতারণা করা, ধোঁকা দেওয়া। আইটি জগতেও স্পুফিং (Spoofing) মানে কোন কম্পিউটার সিস্টেম বা ইউজারকে ধোঁকা দেওয়া। স্পুফিং হলো এমন একটি অবস্থা যেখানে কোন ব্যক্তি বা কোন একটি প্রোগ্রাম মিথ্যা বা ভুল তথ্য উপস্থাপনের মাধ্যমে নেটওয়াকর্কে বিভ্রান্ত করে এবং এর সিকিউরিটি সিস্টেমে অনুপ্রবেশ করে অনৈতিকভাবে সুবিধা আদায় করে।


Share:

অধায়- ০১ অনুধাবনমূলক প্রশ্ন ও উত্তর

 

অধায়- ০১

অনুধাবনমূলক প্রশ্ন ও উত্তর


১= “বিশ্বগ্রামের মেরুদণ্ডই কানেক্টিভিটি” – বিশ্লষণ কর । অথবা,

ইন্টারনেটকে বিশ্বগ্রামের মেরুদন্ড বলা হয় কেন? – ব্যাখ্যা কর।

বিশ্বগ্রাম হচ্ছে এমন একটি পরিবেশ যেখানে পৃথিবীর সকল মানুষ একটি একক সমাজে বসবাস করে এবং ইলেক্ট্রনিক মিডিয়া ও তথ্য প্রযুক্তি ব্যবহারের মাধ্যেমে একে অপরকে সেবা প্রদান করে থাকে। আর কানেকটিভিটি বলতে মূলত ইন্টারনেট সংযোগকে বুঝায়। অনেকগুলো কম্পিউটারের সমষ্টিতে গঠিত নেটওয়ার্ক যা বিশ্বের প্রতিটি গ্রাম বা শহরকে যুক্ত করে। বিশ্বগ্রামের মেরুদন্ড হলো নেটওয়ার্ক বা কানেকটিভিটি যার মাধ্যমে বিভিন্ন উপাত্ত ও তথ্য বিশ্বগ্রামের প্রতিটি মানুষের নিকট পৌছাতে পারে। নিরাপদ তথ্য আদান-প্রদানই হচ্ছে বিশ্বগ্রামের মূল ভিত্তি। কানেকটিভিটির মাধ্যমে বিভিন্ন তথ্য-উপাত্ত প্রতিটি মানুষের নিকট পৌঁছাতে পারে। তাই বলা যায় যে, বিশ্বগ্রামের মেরুদণ্ডই হলো কানেক্টিভিটি বা সংযুক্ততা।

 

২= তথ্য প্রযুক্তি নির্ভর বিশ্বই বিশ্বগ্রাম-ব্যাখ্যা কর।

বর্তমান সময়কে বলা হয় তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তির যুগ বা বিশ্বায়নের যুগ। তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তির কল্যাণে সারা বিশ্ব আজ পরিণত হয়েছে বিশ্বগ্রামে। গ্লোবাল ভিলেজ বা বিশ্বগ্রাম হচ্ছে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি নির্ভর এমন একটি সামাজিক বা সাংস্কৃতিক ব্যবস্থা, যেখানে পৃথিবীর সকল প্রান্তের মানুষ দুরবর্তী স্থানে অবস্থান করেও একটি একক সমাজে বসবাস করার সুবিধা পায় এবং  তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি ব্যবহারের মাধ্যমে একে অপরের সাথে যোগাযোগ ও সেবা প্রদান করে থাকে। তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি নির্ভর বিশ্ব আজ হাতের মুঠোয়। তাই বলা যায়- তথ্য প্রযুক্তি নির্ভর বিশ্বই বিশ্বগ্রাম।

৩= কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা এক ধরনের এক্সপার্ট সিস্টেম – বুঝিয়ে লিখ।

মানুষের চিন্তা ভাবনার অথবা বুদ্ধিমত্তার পদ্ধতিটাকে কৃত্রিম উপায়ে প্রযুক্তিনির্ভর যন্ত্র বা কম্পিউটারের মাধ্যমে বাস্তবায়ন করাটাই হলো কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা। এটির আসল উদ্দেশ্য হচ্ছে কম্পিউটার বা মেশিনকে মানুষের মতো জ্ঞান ও ক্ষমতা দান করা। অপরদিকে এক্সপার্ট সিস্টেম হলো কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার একটি প্রয়োগ। ইহা এক ধরনের কম্পিউটার সিস্টেম যা মানুষের চিন্তা-ভাবনা করার দক্ষতা ও সমস্যা সমাধানের সক্ষমতার সমন্বিত রূপ। তাই বলা যায় কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা এক ধরনের এক্সপার্ট সিস্টেম।

৪= শিক্ষাক্ষেত্রে অনলাইন লাইব্রেরীর ভূমিকা বুঝিয়ে লিখ।

তথ্য প্রযুক্তির ব্যবহার করে সনাতন পদ্ধতির বইয়ের ডিজিটাল রূপান্তর অনলাইন লাইব্রেরি নামে পরিচিত। অনলাইন লাইব্রেরী বলতে এমন সব ওয়েবসাইটকে বুঝায় যেখানে বিভিন্ন বই একটি ওয়েবসাইটে সংরক্ষণ করা হয় এবং যেখান থেকে একজন ব্যবহারকারী যেকোন সময় যেকোন বই বিনামূল্যে বা টাকার বিনিময়ে পড়তে পারে। এসব অনলাইন লাইব্রেরি থেকে শিক্ষার্থীরা বিভিন্ন বিষয়ের তথ্য সংগ্রহ করে পড়তে এবং বিভিন্ন ভিডিও টিউটোরিয়াল দেখে সহজে একটা বিষয় বুঝতে পারে। যা তার পাঠ্য বই অধ্যয়নে সহায়ক ভূমিকা রাখে। অনলাইন লাইব্রেরীর সবচেয়ে বড় সুবিধা হল- একটি বই বিশ্বের যেকোন প্রান্ত থেকে যেকোন সংখ্যক পাঠক যেকোন সময় একসাথে পড়তে পারে।

৫= ই-কমার্স ব্যবসা বাণিজ্যকে সহজ করেছে-ব্যাখা কর । অথবা,

ঘরে বসে ক্রয়-বিক্রয় করা যায় – ব্যাখ্যা কর।

ই-কমার্স (E-commerce) হচ্ছে বিশ্বগ্রামের একটি সুবিধা। বিশ্বগ্রাম ধারণায় ব্যবসা-বাণিজ্যের ব্যপক পরিবর্তন হয়েছে। এখন ক্রেতা-বিক্রেতাকে পণ্য ক্রয়-বিক্রয়ের জন্য এক গ্রাম থেকে অন্য গ্রামে কিংবা এক দেশ থেকে অন্য দেশে যেতে হয় না। এখন একজন ক্রেতা বাসায় বসে ইন্টারনেট এর সাহায্যে কোন ই-কমার্স ওয়েবসাইট থেকে পণ্য বা সেবা পছন্দ করে ক্রয় করেতে পারছে এবং অনলাইনে মূল্য পরিশোধ করতে পারছে, যাকে অন-লাইন শপিং বলা হয়। সুতরাং ই-কমার্স একটি বাণিজ্য ক্ষেত্র যেখানে ইন্টারনেট এর মাধ্যমে পণ্য বা সেবা ক্রয়-বিক্রয় বা লেনদেন হয়ে থাকে। ই-কমার্সের প্রধানতম সুবিধা হল ঘরে বসেই যেকোন পন্য ক্রয়-বিক্রয় করা যায় এবং ক্রয়-বিক্রয়কৃত পন্যের মূল্য পরিশোধ করা যায়।

৬= টেলিমেডিসিন এক ধরনের সেবা”-বুঝিয়ে লিখ। অথবা,

ঘরে বসে চিকিৎসা গ্রহণ করা যায় – ব্যাখ্যা কর।

টেলিমেডিসিন একটি অনলাইনভিত্তিক চিকিৎসা ব্যবস্থা যার মাধ্যমে ভিন্ন ভৌগলিক অবস্থানে থেকেও মোবাইল, টেলিফোন কিংবা অন্য কোনো নেটওয়ার্ক ব্যবস্থা ব্যবহার করে রোগী বিশেষজ্ঞ ডাক্তারের চিকিৎসা সেবা পেতে পারে। এই  প্রযুক্তির সাহায্যে মানুষ এক দেশে অবস্থান করে ভিন্ন কোন ভৌগলিক দুরত্বে অবস্থানরত বিশেষজ্ঞ ডাক্তারের চিকিৎসা সেবা নিতে পারে। অর্থাৎ টেলিমেডিসিন এক ধরনের সেবা যার সাহায্যে উন্নত চিকিৎসার জন্য বিদেশে না গিয়েও বিশেষজ্ঞ ডাক্তারের পরামর্শ নেওয়া সম্ভব হচ্ছে।

৭= “ঘরে বসে অর্থ উপার্জন করা যায়”-ব্যাখ্যা কর।

ইন্টারনেট মানুষের জীবনে প্রভাব ফেলছে। মানুষ এখন অনলাইনে অর্থ আয়ের জন্য নানা কৌশল প্রয়োগ করছে। তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি ব্যবহারের ফলে দেশ এবং বিদেশে ব্যপক কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে। অনলাইনে আয়ের ক্ষেত্রে ফ্রিল্যান্সিং কাজ করার বিষয়টি সবচেয়ে জনপ্রিয়। কোন প্রতিষ্ঠানের সাথে দীর্ঘস্থায়ী চুক্তি না করে, স্বাধীনভাবে নিজের দক্ষতা অনুযায়ী কোন ব্যাক্তি বা প্রতিষ্ঠানের চাহিদা অনুযায়ী কাজ করাকে ফ্রিল্যান্সিং বলা হয়। কিছু অনলাইন প্ল্যাটফর্ম, ওয়েবসাইট (upwork.com, fiverr.com, freelancer.com) ও রিসোর্স আছে যেখানে কাজদাতা তাদের প্রয়োজন অনুযায়ী যোগাযোগ করে ফ্রিল্যান্সারকে কাজ দেয়। এ সকল ওয়েবসাইটে নিজ নিজ দক্ষতার উপর কাজের আবেদন করে কাজ পাওয়া যায়। ফ্রিল্যান্সিং এর মাধ্যমে দেশে বসে বৈদেশিক মুদ্রা উপার্জনেরও সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে।

৮= বাস্তবে অবস্থান করেও কল্পনাকে ছুঁয়ে দেখা সম্ভব-ব্যাখ্যা কর।

ভার্চুয়াল রিয়েলিটির মাধ্যমে বাস্তবে অবস্থান করেও কল্পনাকে ছুঁয়ে দেখা সম্ভব। প্রকৃত অর্থে বাস্তব নয় কিন্তু বাস্তবের চেতনা উদ্রেককারী যোগান নির্ভর কল্পনাকে ভার্চুয়াল রিয়েলিটি বা অনুভবে বাস্তবতা বলে। এটি মূলত কম্পিউটার প্রযুক্তি ও সিম্যুলেশন তত্বের উপর প্রতিষ্ঠিত। এই প্রযুক্তিতে কম্পিউটার প্রযুক্তির মাধ্যমে কৃত্রিম পরিবেশকে এমনভাবে তৈরি ও উপস্থাপন করা হয়,যা ব্যবহারকারীর কাছে সত্য ও বাস্তব বলে মনে হয়। ভার্চুয়াল রিয়েলিটিতে ত্রিমাত্রিক ইমেজ তৈরি হয়। এই প্রযুক্তির মাধ্যমে কাল্পনিক যেকোনো দৃশ্য দেখা ও শোনা যায়।

৯= ঝুকিপুর্ণ কাজে ব্যবহৃত প্রযুক্তি ব্যাখ্যা কর। অথবা,

যন্ত্র স্বয়ংক্রিয়ভাবে কাজ করে -ব্যাখ্যা কর। অথবা,

রোবট একটি প্রোগ্রাম নিয়ন্ত্রিত যন্ত্র -বুঝিয়ে লেখ।

স্বয়ংক্রিয়ভাবে এবং ঝুকিপুর্ণ কাজে ব্যবহৃত প্রযুক্তিটি হলো রোবট। রোবট হচ্ছে কম্পিউটার নিয়ন্ত্রিত এক ধরণের ইলেকট্রো-মেকানিক্যাল যান্ত্রিক ব্যবস্থা যা স্বয়ংক্রিয়ভাবে বা কোন ব্যক্তির নির্দেশে কাজ করতে পারে। এটি তৈরী হয়েছে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার নীতিতে। যা মানুষ কিংবা বিভিন্ন বুদ্ধিমান প্রাণীর মতো কাজ করতে পারে। রোবট মূলত সফটওয়্যার নিয়ন্ত্রিত যা সুনির্দিষ্ট কোন কাজ দ্রুত ও নিখুঁতভাবে সম্পন্ন করতে পারে। ভুমিকম্প বা দুর্যোগ প্রবণ এলাকা যেখানে মানুষের পক্ষে পৌছানো অসম্ভব সেখানে রোবট ব্যবহৃত হয়। যুদ্ধক্ষেত্রে যুদ্ধযানে ড্রাইভারের বিখল্প হিসেবে, কলকারখানায় অগ্নিসংযোগ স্থলে মানুষকে নিরাপদ আশ্রয়ে সরিয়ে আনার কাজে রোবট ব্যবহৃত হয়। রোবট যেকোনো ঝুঁকিপূর্ণ বা অস্বাস্থ্যকর স্থানে কাজ করতে পারে। তাই বলা যায়- ঝুঁকিপূর্ন কাজে রোবট ব্যবহৃত হয়।

১০= শীতলীকরণ প্রক্রিয়ায় চিকিৎসা দেয়া সম্ভব – ব্যাখা কর । অথবা,

ক্রায়োসার্জারির মাধ্যমে রক্তপাত হীন অপারেশন সম্ভব” –বুঝিয়ে লিখ । অথবা,

রক্তক্ষরণ ছাড়াই অপারেশন সম্ভব – ব্যাখ্যা কর।

অত্যন্ত নিম্ন তাপমাত্রায় শরীরের অস্বাভাবিক টিস্যুকে ধ্বংস করার প্রক্রিয়ার নামই হচ্ছে ক্রায়োসার্জারি। ক্রায়োসার্জারির মাধ্যমে শরীরের অস্বাভাবিক ও রোগাক্রান্ত কোষগুলোকে ধ্বংস করার মাধ্যমে ত্বকের বিভিন্ন ক্যান্সার সহ আরো নানান জটিল রোগের চিকিৎসা করা হয়ে থাকে। এই পদ্ধতিতে ক্রায়োপ্রোব দিয়ে আক্রান্ত টিস্যুতে তরল নাইট্রোজেন বা আর্গন গ্যাস সহ অন্যান্য ক্রায়োজনিক এজেন্ট পৃথক পৃথক ভাবে প্রবেশ করিয়ে কোষের তাপমাত্রায় -৪১ আনা হয়। ফলে আক্রান্ত টিস্যু জমে বরফ খন্ডে পরিণত হলে এতে রক্ত ও অক্সিজেন সরবরাহ বন্ধ হয়ে গিয়ে টিস্যুটি ক্ষতিগ্রস্ত হয়। তারপর পুনরায় ঐ স্থানে ক্রায়োপ্রোবের সাহায্যে হিলিয়াম গ্যাস প্রবেশ করিয়ে তাপমাত্রাকে ২০ থেকে ৩০ পর্যন্ত উঠিয়ে টিস্যুটিকে গলিয়ে ধ্বংস করা হয়। ক্রায়োসার্জারির সবচেয়ে বড় বৈশিষ্ট্য বা সুবিধা হল এতে কাটা-ছেঁড়া করা তথা অস্ত্রোপচারের প্রয়োজন পড়ে না। এজন্যই ক্রায়োসার্জারির মাধ্যমে রক্তপাতহীন আপারেশন সম্ভব।

১১= ব্যক্তি শনাক্তকরণের প্রযুক্তিটি ব্যাখ্যা কর।

ব্যক্তি সনাক্তকরণের প্রযুক্তিটি হলো বায়োমেট্রিক্স। বায়োমেট্রিক্স হলো এমন একটি প্রযুক্তি যার দ্বারা কোন ব্যক্তির গঠনগত এবং আচরণগত  বৈশিষ্ট্যের  উপর ভিত্তি করে অদ্বিতীয়ভাবে চিহ্নিত বা সনাক্ত করা হয়। এক্ষেত্রে ব্যক্তির গঠনগত এবং আচরণগত বৈশিষ্ট্য বায়োমেট্রিক্স যন্ত্রের সাহায্যে ইনপুট নিয়ে একটি কেন্দ্রীয় সার্ভার কম্পিউটারে জমা রাখা হয় যা পরবর্তিতে দেওয়া ইনপুটের সাথে মিলিয়ে সনাক্ত করে থাকে। এই প্রযুক্তির মাধ্যমে বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীদের বা অফিসের কর্মকর্তা বা কর্মচারীদের উপস্থিতির হিসাব রাখা হয়। এছাড়া বিভিন্ন যন্ত্র বা সিস্টেমে প্রবেশাধিকার নিয়ন্ত্রণের কৌশল হিসেবেও ব্যবহার করা হয়।

১২= কোন প্রযুক্তি ব্যবহারে পাটের জীবন রহস্য উন্মোচিত হয়েছে? ব্যাখ্যা কর।

পাটের জীবন রহস্য উন্মোচিত হয়েছে জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং এর মাধ্যমে। কোন জীব থেকে একটি নির্দিষ্ট জিন বহনকারী DNA খন্ড পৃথক করে ভিন্ন একটি জীবে স্থানান্তরের কৌশলকে জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং বলা হয়। জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং-কে জেনেটিক মডিফিকেশনও  বলা হয়। এ প্রযুক্তির মাধ্যমে পাটের জিনের উপাদানসমূহ বিশ্লেষণ, জিনের মাত্রা, জিনের ক্রোমজোম নির্ধারণ করে উন্নত জাতের পাট উৎপাদন করা হচ্ছে। এই প্রযুক্তির সাহায্যে শস্যের গুনাগুণ বৃদ্ধি করা যায়। নতুন জাত তৈরি করা এবং রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাও বৃদ্ধি করা যায়।

১৩= আণবিক পর্যায়ের গবেষণার প্রযুক্তিটি -ব্যাখ্যা কর।

পদার্থকে পারমাণবিক আণবিক পর্যায়ে পরিবর্তন ও নিয়ন্ত্রণ করার প্রযুক্তি হচ্ছে ন্যানোটেকনোলজি। পারমাণবিক বা আণবিক স্কেলে অতিক্ষুদ্র ডিভাইস তৈরি করার জন্য ধাতব বস্তুকে সুনিপুণভাবে কাজে লাগানোর প্রযুক্তিকে ন্যানোটেকনোলজি বলে। ন্যানো প্রযুক্তির সাহায্যে ন্যানোমিটার স্কেলে ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র উপাদান দিয়ে কাঙ্খিত কোনো বস্তুকে এতটাই ক্ষুদ্র করে তৈরি করা যায় যে, এর থেকে আর ক্ষুদ্র করা সম্ভব নয়। ১ মিটারের ১০০ কোটি ভাগের এক ভাগকে বলা হয় ১ ন্যানো মিটার। আর এই ন্যানোমিটার স্কেলে সম্পর্কিত সমস্ত টেকনোলজিকে ন্যানো টেকনোলজি বলে। ন্যানোটেকনোলজির ফলে সকল যন্ত্রের আকার ছোট হয়েছে, উৎপাদন ব্যয়, বিদ্যুৎ সাশ্রয়ী ইলেক্ট্রনিক্স সামগ্রী তৈরি করা সম্ভব হচ্ছে।

১৪= তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি ব্যবহারের নৈতিকতা ব্যাখ্যা কর।

নৈতিকতা হচ্ছে মানুষের কাজ কর্ম ও আচার-ব্যবহারের এমন একটি মূলনীতি যার উপর ভিত্তি করে মানুষ একটি কাজের ভালো বা মন্দের দিক বিচার বিশ্লেষণ করতে পারে। তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তিতে নৈতিকতা হলো তথ্যের বৈধ ব্যবহার এবং নিয়মরীতি অনুসরণ করা। তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তির ব্যবহার সমাজের বিভিন্ন ক্ষেত্রে ব্যাপক ইতিবাচক প্রভাবের পাশাপাশি ব্যপকভাবে নেতিবাচক প্রভাবও বিস্তার করা শুরু করেছে। এর ফলে হ্যাকিং, স্প্যামিং, সাইবারক্রাইম এর মত অপরাধ কর্মকান্ড সংঘঠিত হছে যা তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি ব্যবহারের নৈতিকতা বিরোধী। তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি ব্যবহারের ক্ষেতে সবার সচেতন থাকতে হবে যাতে কারো দ্বারা অন্য ব্যক্তির ক্ষতি সাধন না হয় এবং পাশাপাশি সামাজিক সমস্যার সৃষ্টি না হুয়।


১৫= হ্যাকিং একটি নৈতিকতা বিরোধী কর্মকান্ড -ব্যাখ্যা কর।

সাধারণত হ্যাকিং একটি প্রক্রিয়া যার মাধ্যমে কেউ কোন বৈধ অনুমতি ব্যতীত কোন কম্পিউটার বা কম্পিউটার নেটওয়ার্কে প্রবেশ করে এবং সিস্টেমের ক্ষতিসাধন, ডেটা চুরি, ডেটা বিকৃতিসহ নানা ধরনের অপরাধমূলক কর্মকান্ড করে থাকে। ইন্টারনেটে হ্যাকিং ব্যাপকভাবে হওয়ার কারণে বিভিন্ন ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের ব্যক্তিগত তথ্য প্রকাশ হয়ে যাচ্ছে, তথ্য গায়েব বা চুরি হয়ে যাচ্ছে। এটি অত্যন্ত ক্ষতিকর ও লজ্জাজনক। অনুমতি ব্যতীত অন্যের সিস্টেমে প্রবেশ, ডেটা চুরি এগুলো অপরাধমূলক কর্মকান্ড এবং নৈতিকতা বিরোধী। তাই বলা যায় হ্যাকিং একটি নৈতিকতা বিরোধী কর্মকান্ড।



Share:

তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (ICT )বিষয়ের উপর ৫০ টি সাধারন জ্ঞান প্রশ্ন ও উত্তর যা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি ও সকল সরকারী চাকুরী পরীক্ষার জন্য খুবই গূরূত্বপূর্ন ।

 

তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (ICT )বিষয়ের উপর ৫০ টি সাধারন জ্ঞান প্রশ্ন ও উত্তর যা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি ও সকল সরকারী চাকুরী পরীক্ষার জন্য খুবই গূরূত্বপূর্ন ।

১) কম্পিউটার আবিস্কার করেন- হাওয়ার্ড আইকেন।

Note: অনেকে বলে চার্লস ব্যাবেজ আধুনিক কম্পিউটার আবিষ্কার করেছেন। এটা মিথ্যা। তবে তিনি আধুনিক কম্পিউটার তৈরীর জন্য অ্যানালিটিকেল ইঞ্জিন নামের একটি ইঞ্জিন তৈরী করেন। কিন্তু তিনি মারা যাওয়ার কারনে তার জীবদ্দশায় পুরো কাজটি সম্পন্ন করে যেতে পারেননি। অবশেষে জর্জ হাওয়ার্ড আইকেন নামের একজন বিজ্ঞানী চার্লস ব্যাবেজ এর অ্যানালিটিক্যাল ইঞ্জিন ব্যবহার করে প্রথম ইলেক্ট্রিকেল কম্পিউটার MARK-1 তৈরী করেন। এজন্য আইকেন কে প্রথম ইলেক্ট্রিকেল কম্পিউটারের আবিষ্কারক বলা হয়ে থাকে এবং চার্লস ব্যাবেজকে  কম্পিউটারের জনক বলা হয়ে থাকে।

২) কম্পিউটারের জনক – চার্লস ব্যাবেজ।
Note: আধুনিক কম্পিউটারের জনক – জন ভন নিউম্যান
৩) বিশ্বের সর্ব প্রথম ইলেকট্রনিক কম্পিউটার হল – ENIAC.
৪) প্রথম বানিজ্যিক ভাবে বাজারে আসা কম্পিউটার – UNIVAC
৫) এনালগ এবং ডিজিটাল কম্পিউটারের সমন্বয়ে ঘটিত – হাইব্রিড কম্পিউটার।
৬) কম্পিউটার সফটওয়্যার জগতে নামকরা প্রতিষ্ঠান – মাইক্রোসফট।
৭) পৃথিবীর প্রথম গণনাযন্ত্রের নাম – অ্যবাকাস।(চীনে তৈরী)
৮) বাংলাদেশে প্রথম কম্পিউটার আসে – ১৯৬৪ সালে।
৯) বাংলাদেশের প্রথম কম্পিউটার স্থাপন করা হয় – পরমানু শক্তি কেন্দ্র।
১০) বাংলাদেশ প্রচলিত প্রথম কম্পিউটার – IBM 1620.
১১) ল্যাপটপ বা নোটবুক প্রথম তৈরী করেন – এপসন কম্পানি। (১৯৮১ সালে)
১২) কম্পিউটারের মস্তিস্ক বা ব্রেন হিসেবে কাজ করে – প্রসেসর।
১৩) প্রথম  কম্পিউটার মাউস আবিষ্কার করেন – ডগলাস এঙ্গেলবার্ট
১৪) কম্পিউটারের ইনপুট ডিভাইস হল – কীবোর্ড, মাউস, স্ক্যানার, OCR, OMR.
১৫) আউটপুট ডিভাইস হল – মনিটর, প্রিন্টার, স্পিকার, সিপিইউ।
১৬) OMR হল Optical Mark Reader. এটি পেন্সিল বা কালির দাগ বোঝাতে পারে। নৈব্যক্তিক পরীক্ষার উত্তরপত্র মূল্যায়ন, জনমত জরিপ, আদমশুমারীর কাজে ব্যবহৃত হয়।
১৭) বিশ্বের একমাত্র এবং প্রথম কম্পিউটার জাদুঘর অবস্থিত – যুক্তরাষ্ট্রের আটলান্টায়।
১৮) কম্পিউটারের প্রধান প্রিন্টেড সার্কিট বোর্ডকে – মাদার বোর্ড বলে।
১৯) সবচেয়ে শক্তিশালী কম্পিউটার হল – সুপার কম্পিউটার।
২০) প্রথম মাইক্রো কম্পিউটার হল – এ্যাপেল।
২১) মাইক্রো প্রসেসর আবিষ্কৃত হয় – ১৯৭১ সালে।
২২) কম্পিউটার পদ্ধতির প্রধান দুটি অংশ হল – হার্ডওয়্যার ও সফটওয়ার।
২৩) কম্পিউটারের তথ্য দেখার জন্য সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত হয় – কী বোর্ড।
২৪) পঞ্চম প্রজন্মের কম্পিউটারের প্রধান বিশেষত্ব হল – কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা।
২৫) IC চিপ দিয়ে তৈরী প্রথম ডিজিটাল কম্পিউটার – IBM system 360.
২৬) বিজয় অভ্র হল – বাংলা লেখার সফটওয়ার।
২৭) ROM হল Read Only Memory. এটিকে কম্পিউটারের স্থায়ী শক্তি বলা হয়।
২৮) RAM হল Random Access Memory. এটি কম্পিউটারের অস্থায়ী স্মৃতি।
২৯) কম্পিউটার থেকে কম্পিউটার এর তথ্য আদান প্রধানের প্রযুক্তিকে বলে – ইন্টারনেট।
৩০) মাইক্রোসফটের সার্চ ইঞ্জিন – Bing
৩১) হার্ড ডিস্ক মাপার একক হল – গিগাবাইট।
৩২) ১ বাইটে বিটের সংখ্যা ৮।
৩৩) ১ কিলোবাইটে বিটের সংখ্যা 1024।
৩৪) কম্পিউটার বাগ হলো- কম্পিউটারের অন্তর্নিহিত ভুল।
৩৫) ক্যাসপারস্কি হলো একটি – এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার।
৩৬) কম্পিউটারের প্রথম প্রোগ্রামিং ভাষা- FORTRAN.
৩৭) কম্পিউটারে কাজের গতি প্রকাশ করা হয় – ন্যানো সেকেন্ড।
৩৮) কম্পিউটারের ডিজিটাল পদ্ধতির অভ্যন্তরে সাধারনত ব্যবহৃত সংখ্যা হলো- বাইনারী পদ্ধতি
৩৯) UNIX হলো একটি – অপারেটিং সিস্টেম।
৪০) ল্যাপটপ এবং পামটপ হল- ছোট কম্পিউটার।
৪১) বিশ্বব্যাপী বিপর্যয় সৃষ্টিকারী “CIH” ভাইরাস কম্পিউটারে আক্রমণ করে – ২৬ এপ্রিল,১৯৯৯
৪২) কম্পিউটার চালু করা বা পুনঃচালু করার প্রক্রিয়াকে বলে – Boot
৪৩) ডেটা এনক্রিপশন ও ডিক্রিপশনের নিয়ম – ক্রিপ্টোগ্রাফী
৪৪) উন্মুক্ত অপারেটিং সিস্টেম – Redhat Linux
৪৫) Touch pad একটি – ইনপুট ডিভাইস.
৪৬) The extension of a file ‘PDF’ stands for – Portable Document File
৪৭) কম্পিউটারের ক্ষেত্রে তথ্য পরিবহনের জন্য পরিবাহী পথকে বলা হয়- বাস
৪৮) রিয়েল টাইম অ্যাপ্লিকেশন বা মাল্টিমিডিয়া ডাটা ট্রান্সফারে বেশি ব্যবহৃত হয় কোনটি? – Isochronous
৪৯) বাসের গতি মাপা হয় – মেগাহার্টজে।
৫০) তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি জনক বলা হয়- ক্লাউডি এলউড শ্যানন


Share:

পিসির জন্য কয়েকটি Android Based অপারেটিং সিস্টেম!

গুগলের তৈরি Android Os এখন সারা বিশ্বে বিপুল জনপ্রিয় অপারেটিং সিস্টেম। সারা বিশ্বের বেশিরভাগ স্মার্টফোন  Android Based এর উপর নির্মিত!
এই অপারেটিং সিস্টেম ফ্রি হওয়াই ও প্লেস্টোরে বিপুল পরিমান এপ্পস থাকার কারনে সবার পছন্দের Android অপারেটিং সিস্টেম।আমরা যারা এই অপারেটিং সিস্টেমকে পিসি ও ল্যাপটপে ইউস করতে চাই,তারা এই টিউনের কয়েকটা  ওএস থেকে আপনার পছন্দের ওএস বেছে নিতে পারবেন।  Android টাচ নির্ভর অপারেটিং সিস্টেম হলেও কয়েকটি কোম্পানি এই ওএস কে পিসি ও ল্যাপটপ চলার উপযোগী করে তৈরি করেছেন।তার মধ্য জনপ্রিয় কয়েকটি অপারেটিং সিস্টেম নিচে চিত্র সহকারে উল্লেখ করা হলো,
1: Prime OS

2: Phonex OS
3: Remix OS
4: Openthos OS
5: Bliss OS
উপরের চিত্র থেকে কোন ওএসের গ্রাফিক্স ভালো লাগলো ও টিউনটি কেমন লাগলো? কমেন্ট করে নিশ্চয় জানাবেন।আপনারা যদি চান তাইলে প্রত্যেকটির বিস্তারিত ভাবে আলোচনা করবো নেক্সট টিউনে ডাউনলোড লিঙ্ক সহ,কিন্তু যদি আপনারা সেইটা চান, কারন আপনাদের কমেন্টের উপর নির্ভর করবে।
Share:

এন্ড্রয়েড ফোনের জন্য বিশ্বের সেরা দশটি এন্টিভাইরাস অ্যাপস

আজকে আপনাদের সাথে এন্ড্রয়েড ফোনের সেরা দশটি এন্টিভাইরাস অ্যাপস নিয়ে আলোচনা করবো। যারা এন্ড্রয়েড মোবাইল ফোন ব্যবহার করেন । কিন্তু তারা জানেনা যে সেরা এন্টিভাইরাস কোন গুলো?
আপনি কি সেরা অ্যান্টিভাইরাস অ্যাপ গুলো খুঁজছেন তাহলে এই পোস্টটি আপনার জন্য। অ্যান্ড্রয়েডের জন্য বা স্মার্টফোনের জন্য কিছু শেরা এন্টিভাইরাস অ্যাপ খুবই গুরুত্বপূর্ণ।
এন্ড্রয়েড ফোনের ভাইরাস দূর করার জন্য এবং ক্লিন রাখার জন্য এই এন্টিভাইরাস খুবই গুরুত্বপূর্ণ ।আজকের সেরা 10 টি নিয়ে আলোচনা করবো। তো চলুন দেখে নেই সেরা 10 টি এন্টিভাইরাস অ্যাপস ।
এই অ্যাপগুলি ভাইরাস স্ক্যান করে এবং 24 ঘণ্টা আপনার ফোনকে  শুরক্ষা এবং ক্লিন রাখে।
এই অ্যাপটি অ্যাপ লক হিসেবে কাজ করে আপনি আপনার গুরুত্বপূর্ণ অ্যাপগুলি লক করে রাখতে পারেন। আপনাকে অ্যাপ লক করে রাখার জন্য কোন অতিরিক্ত এন্ড্রয়েড অ্যাপ ইন্সটল করতে হবে না।
এই অ্যাপগুলি সিপিইউ কুলার হিসেবে কাজ করে আপনার মোবাইল জান যদি অতিরিক্ত গরম হয়ে যায় তখন আপনার মোবাইলকে ঠান্ডা করবে।
junk cleaner
এই অ্যাপ আপনার মোবাইলের junk ফাইল গুলো ক্লিন করে মোবাইল সুপার ফাস্ট করে রাখবে। এই অ্যাপগুলি ফোন স্পিড বুস্টার হিসেবে কাজ করে। আপনার মোবাইলকে সব সময়ই সুপারফাস্ট করে রাখবে। আপনার মোবাইলে যখন কোনো নোটিফিকেশন আসে তখন তার অটোমেটিক ক্লিন করে নিবে। এই অ্যাপ গুলি কল ব্লক করে থাকে। আপনাকে কল ব্লক করার জন্য কোন অতিরক্ত এন্ড্রয়েড অ্যাপ ইন্সটল করতে হবে না।
1 sequirity master
2 360 mobile sequirity
3 avast mobile sequirity
4 cm sequirity master
5 antivirus free 2019
6 avg antivirus
7 virus cleaner top antivirus app
8 antivirus free virus cleaner
9 antivirus and virus cleaner
10 super speed cleaner.
আশাকরি আপনাদের আমার এই পোস্ট ভাল লাগবে। এই অ্যাপগুলোর কাজ প্রায় একই তাই সব গুলোর বর্ননা আলাদা আলাদা ভাবে আলোচনা করলাম না। এই অ্যাপগুলি প্লে স্টোরে সম্পুর্ন সব ফ্রীতে পাবেন।
Share:

Fiverr Offer

Popular Posts

Powered by Blogger.

Labels

Labels

Popular Posts

Labels

Recent Posts

Unordered List

  • Lorem ipsum dolor sit amet, consectetuer adipiscing elit.
  • Aliquam tincidunt mauris eu risus.
  • Vestibulum auctor dapibus neque.

Pages

Theme Support

Need our help to upload or customize this blogger template? Contact me with details about the theme customization you need.